স্থাপিতঃ ১৯৭৬ খ্রিঃ
প্লে থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত
সমাজের অগ্রগতি সময়ের বিবর্তনের মাধ্যমেই ঘটে। সভ্যতার পরিবর্তন হয়, আর উন্নয়নের স্ফূর্তিতে প্রতিভার উন্মোচন ঘটে। তবে প্রতিভার বিকাশ কেবল গতানুগতিক গ্রন্থপঞ্জি বা যান্ত্রিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিভার যথাযথ প্রকাশ ও প্রস্ফুটনের জন্য প্রয়োজন একটি অনুকূল পরিবেশ। বর্তমানে সমাজে শিক্ষাকে কেন্দ্র করে যে বিভিন্ন অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, তা বর্তমান সমাজ ও সভ্যতার জন্য একটি হুমকি। তারারমেলা ঈশান মেমোরিয়াল স্কুল এই সকল অসঙ্গতি এবং অসুস্থ প্রতিযোগিতা দূর করে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের নিরলস প্রচেষ্টা চলছে। আমি আশাবাদী যে, খুব শীঘ্রই এই প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মানের একটি শিক্ষা কেন্দ্রে পরিণত হবে। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেধা, মনন, শৃঙ্খলা-সংস্কৃতি, সংযমবোধ, শিক্ষা-দীক্ষা এবং প্রজ্ঞায় হিমালয় অতিক্রম করবে। শিক্ষকরা আধুনিক কৌশল, দক্ষতা এবং পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ করতে অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে তারা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অনুপ্রেরণামূলক আধ্যাত্মিক কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়ার এবং তাতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে ধন্য। এই পথ মসৃণভাবে অতিক্রম করতে উৎসাহিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। স্মার্ট বাংলাদেশ মানে হলো অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়া এবং দেশের মানুষ বা সকল বাংলাদেশী নাগরিকদের কথা চিন্তা করা। এর লক্ষ্য হলো টেকসই ডিজিটাল সমাধান তৈরি এবং সেগুলোর পরিধি বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ডিজিটাল বিভাজন দূর করা, যাতে সমাজের সকল স্তরের মানুষ—শিক্ষার্থীরা তাদের আর্থ-সামাজিক পটভূমি নির্বিশেষে এবং ব্যবসায়ীরা তাদের আকার নির্বিশেষে—সুবিধা নিতে পারে। এটি স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি এবং স্মার্ট সমাজ—এই চারটি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি তারারমেলা ঈশান মেমোরিয়াল স্কুল এর সকল শিক্ষার্থীদের স্মার্ট বাংলাদেশের এই স্বপ্নযাত্রায় যুক্ত হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। সর্বোপরি, আমি বলতে চাই যে, যোদ্ধা কেবল প্রয়োজনীয় লড়াই করেই নীরব হন না, বরং তাঁর বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এই মহাবিশ্বে তাঁর মধ্যে থাকা শ্রেষ্ঠ চেতনাকেও প্রকাশ করেন। আমি আশা করি যে, এই প্রতিষ্ঠানটি তার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করবে এবং একটি শিক্ষিত জাতি গঠনে এর অবদান হবে অবিস্মরণীয়।